Friday, January 18, 2013

বৃষ্টিকন্যা


বৃষ্টিকন্যা


মায়ের দৃষ্টিতে তখন আমি অনেক ছোট। যদিও দশম শ্রেনীর একজন ছাত্র। বৈশাখের প্রায় শেষ। ঠিক এমনি একদিন, দিনটি বৃহস্পতিবার। ক্লাস শেষে বাড়িতে রওয়ানা দিই। তখন দুপুরের মাঝামাঝি অবস্থা। সূর্যের প্রচন্ড তাপে মাঠ-ঘাট সব খাঁ খাঁ করছে। মাঠে চরে খাওয়া গরু গুলো রৌদের তাপে হাঁপাচ্ছে আর একটু জল আর ছায়া খুঁজে বেড়াচ্ছে। গ্রামের কুকুরগুলো রাস্তার পাশে বয়ে যাওয়া খাল, পুকুর থেকে জিহ্ববা দিয়ে পানি শুষে খাচ্ছে। কোনটা আবার প্রচন্ড তাপ সহ্য করতে না পেরে পানিতে নেমে পরে। গ্রামের বৃদ্ব, তরুন, শিশুরা যেন পানিকে বাসস্থান হিসেবে খুঁজে পায়।

বন্ধু হারানো বেদনা


বন্ধু হারানো বেদনা


মাহবুব আলম মুরাদ 

জন্ম মফস্বর পল্লীর এক মধ্য বৃত্ত পরিবারে। পল্লী প্রকৃতি, গ্রামের সতেজ বাতাস আর সোনালী ফসলের মাঝেই এক পা দু পা করে বেড়ে উঠা। কখনো নিজেকে মাতিয়ে রাখা পুতুল খেলার মাঝে, কখনো চড়ুই বাতি রান্নার মাঝে, কখনো মায়ের আচলের নিচে মাথা লুকিয়ে, কখনো কাঁদা মাটি নিয়ে হাড়ি পাতিল, পুতুল তৈরীর মাঝে। কখনো বিকেলে খেলার মাঠে এক্কা ধোক্কা খেলার মাঝে, কখনো সোনালী ধানের মাঠে নিজেকে আড়াল করে।

কল্পনাহীন মিলন


কল্পনাহীন মিলন

ঈদের আমেজটা গ্রামে কাটিয়ে আবার শহরে প্রদার্পন। যদিও সবাই এখনো শহরে ফিরে আসে নাই তবুও পড়ালেখা আর টিউশনির তাগিদে দ্রুত ফিরে আসা। ভার্সিটি এখনও বন্ধ। সবাই ছুটি কাটাচ্ছে। ক্লাস না থাকায় সারা দিন বাসায় বসে বসে বই পড়া আর ঘুমানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই। কাজের বুয়াটাও এখনো গ্রাম থেকে শহরে ফেরেনি। তাই কিছু সময় রান্না ঘরে ব্যয় করতে করতেই সকাল গড়িয়ে দুপুর।

প্রেম, নাকি জ্বালা!


প্রেম, নাকি জ্বালা!

সেদিন রং নাম্বারে কোমল সুরেলা এক মেয়ের সাথে কথা বলে খুব ভালই লেগে উঠল। তার লাইন কেটে দেওয়ার সাথে সাথে মনটা হঠাত যেন খারাপ হয়ে যায়। মুহুর্তের মাঝে তাকে ফোন; কিন্তু সে লাইন কেটে সাথে সাথে মোবাইলের সুইচটা অফ করায় মাথাটা পুরো হ্যাং হয়ে যায়। সাথে সাথে তার নাম্বারে বার বার ডায়াল করতে শুরু করি।

জীবন নাকি চলন্ত ট্রেন


জীবন নাকি চলন্ত ট্রেন

অনেক ভেবে বুঝতে পারলাম আসলে আমাদের জীবনটা একটা চলন্ত ট্রেনের মত। জীবনের সূচনা থেকে উপসংহার বা মন্তব্য পর্যন্ত আমরা পুরো জীবনটাই ভ্রমনের মাঝে কাটিয়ে দিই। আর এই ভ্রমনটা একাই শুরু হয়। ক্রমান্বয়ে অন্যান্যদের আগমন ঘটে। আমরা যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে যাই তখন কয়েক জনের সাথে পরিচয় হয় পরে বন্ধুত্ব।

অপূর্ন স্বপ্ন


অপূর্ন স্বপ্ন
মাহবুব আলম মুরাদ 

শহরের এক বস্তিতে তার জন্ম। বাবা মায়ের অনেক আশা আকাঙ্খার ফসল সে। তাকে নিয়ে তাদের পরিবারের অনেক আশা-আকাঙ্খা, স্বপ্ন। তাই বাবা মা দুজনে অনেক শখ করে তার নাম রাখে স্বপ্ন। বাবা পেশায় একজন রিকশা চালক। মা পেশায় গৃহিনী হলেও পরিবারের বাড়তি চাহিদা মেটানো ও স্বপ্নকে নিয়ে তাদের গঠিত স্বপ্নগুলো পুরনের জন্য অন্যের বাসায় কাজ নেয়। তাদের দুজনের মাঝে শিক্ষার আলো না থাকলেও তারা স্বপ্নকে খুব শিক্ষিত রুপে সমাজের সুশিক্ষিত অন্য আট দশ জনের পাশে দেখার স্বপ্ন দেখে। সেও কিন্তু বাবা মায়ের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। পড়া লেখায় বরাবরই অন্যান্য ছাত্রদের তুলনায় বেশ ভাল।
 

হায়রে যুব সমাজ!


হায়রে যুব সমাজ!
মাহবুব আলম মুরাদ

অনেক দিন যাবত বলদা গার্ডেনে যাওয়ার বেশ শখ ছিল; যদিও যায়গাটা আমার ভার্সিটি থেকে বেশ দূরে না তবুও সময় তৈরী করতে না পারায় যাওয়া হয়নি।